সমবায়ের মনোনয়নে শাসকের সন্ত্রাস! অভিযোগে বিরোধীরা

সংবাদ সফর, ২ এপ্রিল,দুর্গাপুর: শিল্পাঞ্চলে মাটি হারাচ্ছে শাসকদল? তৃণমূলের প্রতি ভোটারদের আস্থা, ভরসা তলানিতে ঠেকেছে? বুধবার এবিএল কো-অপারেটিভ নির্বাচনের মনোনয়ন পর্বের প্রথম দিনে অভিযোগ- পালটা অভিযোগের জেরে এমনই প্রশ্ন উঠেছে জনমানসে। বিরোধী সিপিএম, কংগ্রেসের তরফে মনোনয়ন পর্বে শাসকদলের বিরুদ্ধে জোর জুলুমের অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে তা মানতে নারাজ স্থানীয় শাসক নেতৃত্ব। বলাই বাহুল্য, আগামী ২৩ এপ্রিল এপিএল কো-অপারেটিভ সোসাইটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ১৫টি আসন বিশিষ্ট এই সমবায় মোট ভোটারের সংখ্যা ৬৫। বুধবার মনোনয়নপত্র দাখিলের প্রথম দিন নির্দিষ্ট করা ছিল। কিন্তু প্রায় সকাল থেকেই বহিরাগতদের নিয়ে সেখানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব বলে অভিযোগ সিটু-ইনটাকের। তাদের কোনভাবেই মনোনয়নপত্র দাখিল করতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন সিটু নেতা নবারুণ দে ও ইনটাক নেতা বিশ্বরূপ ভট্টাচার্য। এককথায়, মনোনয়ন পর্বে শাসকদলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগে সোচ্চার হয়েছেন তারা। যদিও বিরোধীদের এ ধরনের অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন আইএনটিটিইউসি নেতা দীপঙ্কর লাহা। শান্তিপূর্ণভাবে মনোনয়ন পত্র দাখিলের প্রথমপর্ব সম্পন্ন হয়েছে বলে জানান তিনি। গতবারের মতো এবারেও সমবায়ের ভোট দখল করবে তৃণমূল বলে দাবি করেন দীপঙ্করবাবু। উল্লেখ্য, ২০২০ সালে এ বি এল কো-অপারেটিভ সোসাইটির নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়লাভ করে তৃণমূল। এবারেও কার্যত বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সমবায় দখলের পথে এগোচ্ছে শাসকদল, এমনটাই মনে করছেন অনেকেই। বলাই বাহুল্য, রাজ্য জুড়ে বিভিন্ন সমবায় নির্বাচনে শাসক- বিরোধীর সংঘাতের ছবিটা ক্রমশই ভয়ংকর হয়ে উঠছে। মাত্র ৬৫ সদস্য বিশিষ্ট এবিএল কো-অপারেটিভ সোসাইটির নির্বাচনের প্রাক-পর্বে তারই প্রতিফলন ঘটতে চলেছে? প্রশ্ন তো থেকেই যায়।